কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপ একটি নতুন সৌরজগত সনাক্ত করেছে। এ সৌর জগতে
একটি সূর্যকে ঘিরে খুব কাছাকাছি অক্ষপথে চলা ৫টি ফাঁপা গ্রহ দেখা গেছে। এ
গ্রহগুলো আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর চেয়ে বড়। মার্কিন মহাশুন্য গবেষণা
সংস্থা নাসার বরাত দিয়ে বিজ্ঞান সাময়িকী “নেচার” জানিয়েছে, এ নতুন
সৌরজগতের নাম দেয়া হয়েছে “কেপলার-১১”। আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলো পাথুরে
এবং ফাঁপা নয়। এ ছাড়াও আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক
দূরত্ব। তাই এটা স্পষ্ট এ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর সাথে এ নতুন সৌরজগতের
গ্রহগুলোর কোনো মিল নেই।
কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপ ২০০৯ সালে বসানো হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত এ
টেলিস্কোপ এক লাখ ৫০ হাজার তারা বা নক্ষত্রের আলো পরিমাপ করেছে। মহাকাশ
বিজ্ঞানী বা জ্যোতির্বিদরা আশা করছেন তারা পৃথিবীর গঠন ও আকারের অনুরূপ
গ্রহের সন্ধান পাবেন, যে গ্রহে জীবন ধারণ বা মানুষ বসবাসের উপযোগী
নাতিশীতোষ্ণ পানি থাকবে। অন্য কোনো তারকা কোনো গ্রহ প্রদক্ষিণ করছে কিনা তা
দেখার মতা কোনো টেলিস্কোপ এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। তাই কেপলার পরোক্ষ
পদ্ধতিতে এসব গতিবিধি লক্ষ্য করে। গ্রহ যখন কোনো নক্ষত্র বা সূর্য
প্রদক্ষিণ করে তখন তার আলো কমে যায়। আর এই আলোর পরিমাপ দিয়েই বিজ্ঞানীরা
ওই গ্রহের আয়তন ও গতি নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য কেপলার মিশন মহাকাশে অন্যান্য নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণয়মান পৃথিবী সদৃশ গ্রহ অনুসন্ধানের জন্য তৈরি নাসার একটি মহাকাশ টেলিস্কোপ। মিশনটি জার্মান অ্যাস্ট্রোনমার জোহানেস কেপলারের সম্মানার্থে তার নামানুসারে করা হয়েছে।
কেপলার স্বল্প-মূল্যেরের এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক নাসার ডিস্কোভারি
প্রোগ্রামের অধীনে একটি অভিযান। নাসার অ্যামেস রিসার্চ সেন্টার প্রধান
গবেষণা সংস্থা যারা এ অভিযানের পরিচালনা এবং তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করবে।
কেপলার মিশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে নাসার জেট প্রপালশন
লেব্রোটরি। কেপলারের ফ্লাইট সিস্টেমের দায়িত্বে থাকবে বেল এরোস্পেস এন্ড
টেকনোলজী কর্পোরেশন।
সুত্রঃ ইন্টারনেট

1 মন্তব্যসমূহ
It's a miracle of Almighty Allah.
উত্তরমুছুন