অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তর


 

HSC ICT Chapter 1 অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তর

খ। মোবাইল ফোনকে সেলফোন বলা হয় কেন?

Cell শব্দের সাধারণ অর্থ ঘর (room)। জীববিজ্ঞানে Cell বলা হয় কোষকে। সেলফোন বা মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারীরা (যেমনঃ টেলিটক, গ্রামীনফোন, রবি ইত্যাদি) প্রতিটি এলাকাকে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে। এ ভাগ গুলোকে cell এর সাথে তুলনা করা হয়। তাই একে সেল ফোন বলা হয়। 

 খ। রেডিও বা টেলিভিশন তথ্যের একমুখী স্থানান্তর মাধ্যম- ব্যাখ্যা কর।

যোগাযোগব্যবস্থা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর মূল ভিত্তি। এ যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো—

১. একমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি, ২. দ্বিমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি।

একমুখী পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় এক পক্ষ থেকে। যখন একজন বা একটি প্রতিষ্ঠান একমুখী পদ্ধতিতে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেটিকে ইংরেজিতে বলে ব্রডকাস্ট বা একমুখী পদ্ধতি।

উদাহরণ : রেডিও বা টেলিভিশন হলো একমুখী পদ্ধতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এ প্রক্রিয়ায় যখন কোনো অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তখন তা সবার জন্য প্রচার করা হয়। এটি ইত্ড়ধফপধংঃ পদ্ধতি। আর এ ক্ষেত্রে যাদের জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তারা পাল্টা যোগাযোগ করতে পারে না। তাই এটি একমুখী পদ্ধতি।

দ্বিমুখী পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় দুই পক্ষ থেকে। এটি হলো একমুখী ব্রডকাস্ট পদ্ধতির সম্পূরক রূপ। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি হয়।

উদাহরণ : এ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো টেলিফোন, মোবাইল। কেননা এসবের মাধ্যমে দুজন একই সঙ্গে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। এটি সম্ভব হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য।

। টেলিমেডিসিন কী? চিকিৎসা ক্ষেত্রে আইসিটি কিভাবে ভূমিকা রাখছে লেখো।

উত্তর : টেলিমেডিসিন হলো টেলিফোনের সাহায্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ পদ্ধতি। এ ব্যবস্থায় পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ যেকোনো সমস্যায় টেলিফোনের মাধ্যমে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে।

বিজ্ঞানের যে কয়টি শাখা দ্রুত উন্নতি করেছে চিকিৎসাবিজ্ঞান তার মধ্যে অন্যতম। তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বের যেকোনো স্থানে বসেই এখন চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করা সম্ভব। তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে ডাক্তাররা আর অনুমানের ওপর নির্ভর করে না। একজন রোগী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার শরীর সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করে। আর এ কাজটি করা যায় প্রযুক্তির সাহায্যে। শুধু তাই নয়, প্রাপ্ত তথ্যগুলো ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ডাটা বেইসে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। যখন কোনো ওষুধের প্রেসক্রিপশন করতে হয় সেটাও তথ্য-প্রযুক্তির কারণে সঠিক হয়। চিকিৎসার প্রয়োজনে নতুন নতুন যন্ত্রপাতিও তৈরি হচ্ছে। দেশের কোটি কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার কর্মসূচি সম্ভব হয় তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে নিখুঁত পরিকল্পনা আর তা কার্যকরের মাধ্যমে। তথ্য-প্রযুক্তির কারণে অন্য মাত্রায় গবেষণা সম্ভব হয়েছে। আগে শুধু রোগের উপসর্গ কমানো হতো, এখন রোগের কারণটিই খুঁজে বের করে সেটিকে অপসারণ করার চেষ্টা করা হয়। শুধু তাই নয়, ধারণা করা হচ্ছে এখন যে রকম সব মানুষ একই ওষুধ খায়, ভবিষ্যতে প্রত্যেক মানুষের জন্য আলাদা করে তার শরীরের উপযোগী ওষুধ তৈরি হবে। এমনকি ভবিষ্যতে হাজার মাইল দূরে থেকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে সার্জনরা রোগীকে অপারেশন করতে পারবেন। তাই বলা যায়, চিকিৎসা ক্ষেত্রে আইসিটির ভূমিকা অপরিসীম।


***All the contents are collected from https://www.edupointbd.com/.You can visit this site for more content about the above topic.***

***সকল কনটেন্ট https://www.edupointbd.com/ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে । নতুন কনটেন্ট এর জন্য আপনি উল্লেখিত সাইটটি ভিজিট করতে পারেন । ***

 

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ